• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
Headline
নির্বাহী সম্পাদক হলেন মোঃ আব্দুল মালেক সুমন বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করিয়া ৯৫০ (নয়শত পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০২ জন গ্রেফতার সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ আইসক্রিম ব্যবসার আড়ালে ইয়াবার চেয়ে ৫০ গুণ ক্ষতিকর মাদক ও ক্রিস্টাল মেথ ইয়াবা ‘আইস’ তৈরী করছেন জামাল ও নোমান বাংলা নব-বর্ষের শুভেচ্ছা জানান তরুন রাজনৈতিক ব্যাক্তি আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, চট্টগ্রাম পতেঙ্গা মডেল থানায় জিডি বরিশালের পিরোজপুরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া মাদক ব্যবসায়ী সোহাগ এখন চট্টগ্রামে মস্ত বড় সাংবাদিক চট্টগ্রামের রাশমনি ঘাট নিঝুম পার্কে এক মালিকের বিরুদ্ধে তিন মালিক কে হয়রানির অভিযোগ। পতেঙ্গা মাইজপাড়ায়  অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগ চট্টগ্রামে বিএসটিআই সনদহীন তেলের গোডাউনে অভিযান, জব্দ হাজার লিটার ভোজ্যতেল সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ ( JDC ) র ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের প্রতিবাদ। মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ, প্রমাণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ-

Reporter Name / ১০০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ- সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ-এর নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি সংবাদকে ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা সংগঠনটির সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে।
জানা যায়, গত ৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ১৬ নম্বর পাতায় কক্সবাজার প্রতিনিধির পাঠানো একটি বিশেষ প্রতিবেদনে সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের কয়েকজন নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। পত্রিকাটির সম্পাদক আব্দুল হাই সিকদার-এর সম্পাদনায় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে কক্সবাজার জেলা প্রতিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন-এর বরাতে সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়।
প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল—
“কয়লা দুইলে ও ময়লা যায় না, এস.পি. আপেলের”
এই প্রতিবেদনে সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দকে “এসপি আপেলের লালিত-পালিত বাহিনী” হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে ডজন ডজন মামলার অভিযোগ করা হয়। এমনকি তাদেরকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন।
এদিকে সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং পরিকল্পিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ একটি অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, নৈতিক সাংবাদিকতা চর্চা এবং সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনটির নেতারা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কোনো মামলা নেই। অথচ সংবাদে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এর মাধ্যমে একটি সামাজিক ও পেশাদার সংগঠনের সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রেবেকা সুলতানা রেখা চৌধুরী-এর পক্ষে চট্টগ্রাম জজ কোর্টের আইনজীবী সাইফুদ্দীন ছিদ্দিকী একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশটি দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২৭ ও ২৮ ধারা এবং দণ্ডবিধির প্রাসঙ্গিক ধারার আওতায় অপরাধ করেছেন।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতিবেদনে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার স্বপক্ষে ৭ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট সম্পাদক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, তারা সবসময় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী এবং সমাজের বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং গণমাধ্যমের নৈতিক মান বজায় রাখতে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
তাদের দাবি, কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে সেই নীতি অনুসরণ করা হয়নি। ফলে একটি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে সংগঠনটির সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই স্বাধীনতার সঙ্গে রয়েছে দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা জরুরি। অন্যথায় তা সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যমের জন্য একটি সতর্কবার্তা। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সত্যতা যাচাই, পেশাদারিত্ব এবং নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখা না হলে গণমাধ্যমের ওপর মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা