• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
Headline
নির্বাহী সম্পাদক হলেন মোঃ আব্দুল মালেক সুমন বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করিয়া ৯৫০ (নয়শত পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০২ জন গ্রেফতার সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ আইসক্রিম ব্যবসার আড়ালে ইয়াবার চেয়ে ৫০ গুণ ক্ষতিকর মাদক ও ক্রিস্টাল মেথ ইয়াবা ‘আইস’ তৈরী করছেন জামাল ও নোমান বাংলা নব-বর্ষের শুভেচ্ছা জানান তরুন রাজনৈতিক ব্যাক্তি আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, চট্টগ্রাম পতেঙ্গা মডেল থানায় জিডি বরিশালের পিরোজপুরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া মাদক ব্যবসায়ী সোহাগ এখন চট্টগ্রামে মস্ত বড় সাংবাদিক চট্টগ্রামের রাশমনি ঘাট নিঝুম পার্কে এক মালিকের বিরুদ্ধে তিন মালিক কে হয়রানির অভিযোগ। পতেঙ্গা মাইজপাড়ায়  অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগ চট্টগ্রামে বিএসটিআই সনদহীন তেলের গোডাউনে অভিযান, জব্দ হাজার লিটার ভোজ্যতেল সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ ( JDC ) র ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

কসবায় আতঙ্কের আরেক নাম — “স্টেশনের লোকমান ও ইন্ডিয়ার রাজু” চক্র

Reporter Name / ১১২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 ৫ পর্বের ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তজুড়ে এখন এক আতঙ্কের নাম — “স্টেশনের লোকমান” ও তার সহযোগী “ইন্ডিয়ার রাজু”। একের পর এক পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, প্রকাশ্য হুমকি এবং মাদক-অস্ত্র সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে অশান্ত হয়ে উঠেছে পুরো জনপদ।
⚠️ সাংবাদিককে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি!
সাম্প্রতিক অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের জেরে এবার প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে। অভিযোগ উঠেছে, এই হুমকি দিয়েছেন কথিত স্মাগলার চক্রের অন্যতম সদস্য ও লোকমানের ঘনিষ্ঠ পার্টনার “ইন্ডিয়ার রাজু”।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা উপজেলার আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এই চক্র। অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তপথে প্রতিদিন কোটি টাকার মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র রাজুর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। পরে সেগুলো কসবা রেলস্টেশন এলাকার লোকমানের নিয়ন্ত্রণে আসে।
🚗 প্রাইভেট কারে বিশেষ ফিটিং করে অস্ত্র সরবরাহ!
বিশ্বস্ত সূত্র দাবি করছে, এসব অস্ত্র ও মাদক প্রাইভেট কারের ভেতরে বিশেষভাবে ফিটিং করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে গড়ে উঠেছে একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক, যা বহুদিন ধরেই সক্রিয়।
💰 “সবাই জানে, কিন্তু কেউ বলে না”
স্থানীয় মুরুব্বিদের অভিযোগ, মাদক ব্যবসা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দৃশ্যমান কোনো বিরোধ নেই। কারণ লাভ অত্যন্ত বেশি। এমনকি প্রশাসনের একটি অসাধু অংশের পকেটেও নিয়মিত মাদকের টাকা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
মাঝেমধ্যে মাদকের চালান ধরা পড়লেও গ্রেফতার হন কেবল বহনকারীরা। মূল ডিলার ও মাফিয়ারা থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে। স্থানীয়দের দাবি, একটি চালান ধরা পড়লেও তার চেয়ে ৯ গুণ বেশি চালান নির্বিঘ্নে ঢুকে পড়ে।
🕳️ মুখ খুললেই ষড়যন্ত্র!
সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি, হুমকি ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা হয়। অনেক ক্ষেত্রে “দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার” হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।
📌 চলবে… (দ্বিতীয় পর্বে থাকছে: কারা আছে এই সিন্ডিকেটের পেছনে? কিভাবে চলছে সীমান্ত রুট?)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা