প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকতকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মনোনীত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ এর যৌথ স্বাক্ষরে দেয়া চিঠিতে উপদেষ্টা মনোনয়ন বিষয়টি অবহিত করা হয়।
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের মনোনীত উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক-সম্পাদক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত ১৯৬৯ সালে সাংবাদিকতা ও ১৯৬৪ সালে সার্বজনীন ভোটাধিকার আন্দোলনে সম্পৃক্ত হবার মাধ্যমে রাজনীতিতে আসেন। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান ও ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার পূর্বে বিভিন্ন দৈনিকের রিপোর্টার ছিলেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রতিষ্ঠিত ও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের নেতা অলি আহাদ সম্পাদিত ‘ইত্তেহাদ’ এর বিশেষ সংবাদদাতা, ডেইলি ট্রিবিউন এর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি দৈনিক নয়াবাংলা’র সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালের ১৭ আগস্ট তাঁর সম্পাদনায় চট্টগ্রাম থেকে ইজতিহাদ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। প্রকাশনার কয়েক মাস পর তদানিন্তন এরশাদ সরকার পত্রিকাটির প্রকাশনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে পরে হাইকোর্টে রীট করার পর এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত চট্টগ্রাম সংবাদপত্র পরিষদ ও চিটাগাং এডিটরস কাউন্সিল সাধারণ সম্পাদক, পূর্বাঞ্চলীয় সংবাদপত্র পরিষদ সভাপতি, বাংলাদেশ সম্পাদক সমিতির আহ্বায়ক ও ওয়ার্ল্ড এসোসিয়েশন অব প্রেস কাউন্সিল ডব্লিউ এপিসি নির্বাহী পরিষদ সদস্য ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল, প্রেস জুডিশিয়াল, প্রেস রুলস কমিটি সদস্য (২০০২-২০০৬) বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ বিএসপি সহ-সভাপতি (২০০২-২০০৩), বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (১৯৮৮-১৯৯১) চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম সভাপতি (১৯৮০-১৯৬৮৪), চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নির্বাচন কমিশনার (১৯৮৭-১৯৯১), চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক (১৯৭৯-১৯৮৪), বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক (১৯৮৭-১৯৯১), গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা কমিটি সদস্য (১৯৯০-১৯৯১), চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটি, জমিয়তুল ফালাহ সদস্য, জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ